You are currently viewing ডেডিকেটেড সার্ভার কি? ডেডিকেটেড সার্ভার কীভাবে কাজ করে?
ডেডিকেটেড সার্ভার

বর্তমান সময়ে ডেডিকেটেড সার্ভার অনেক পপুলার হোস্টিং টার্ম। এখানে ইউজারকে তার সার্ভারের পুরোপুরি কন্ট্রোল দেওয়া হয় এবং সার্ভার রিসোর্স অন্য কারো সাথে ভাগ করে ইউজ করতে হয় না। যে কারণে উচ্চ ট্র্যাফিকের ওয়েবসাইট গুলো হোস্ট করার জন্য এই সার্ভার আদর্শ। পাশাপাশি অনেক শক্তিশালী সিকিউরিটি পাওয়া যায় জন্য গুরুত্বপূর্ণ ওয়েবসাইট হোস্ট করতে সরকারি এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে ব্যক্তি পর্যায়ে এই সার্ভারের ব্যবহার বৃদ্ধি পাচ্ছে। নিচে ডেডিকেটেড সার্ভার কি এবং এটি কীভাবে কাজ করে সে সম্পর্কে নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো। 

ডেডিকেটেড সার্ভার কি? 

ডেডিকেটেড সার্ভার হচ্ছে এমন একটি হোস্টিং সিস্টেম যেখানে একজন কাস্টমারের জন্য আইসোলেটেড সার্ভার দেওয়া হয়। অর্থাৎ আপনি যখন একটি ডেডিকেটেড সার্ভার নিবেন তখন আপনার জন্য ডাটাসেন্টারে আলাদা করে সার্ভার তৈরি করে দেওয়া হবে। গতানুগতিক শেয়ার্ড বা ভিপিএস সার্ভার গুলোতে একই সার্ভারের রিসোর্স গুলো আলাদা আলাদাভাবে মাল্টিপল ইউজারের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া থাকে। 

এতে সব থেকে বড় সমস্যা হচ্ছে আপনি যে সার্ভারে রয়েছেন তার রিসোর্স অন্যান্য ইউজার ইউজ করবে। অর্থাৎ আপনার সার্ভারের প্রোসেসিং পাওয়ার, র‍্যাম সহ অন্যান্য বিষয় শুধু আপনার জন্য ব্যবহার হবে না। একই সার্ভারে থাকা অন্য কোন কাস্টমারের ওয়েবসাইটে যদি ভিজিটর স্পাইক হয় তাহলে আপনার পুরো সার্ভার সেই স্পাইক নিয়ন্ত্রণ করার ট্রাই করবে যা আপনার ওয়েবসাইট স্লো করে দিতে পারে। 

অন্যদিকে একই সার্ভারে থাকা অন্য কোন কাস্টমারের সার্ভিসে যদি DDoS অ্যাটাক হয় তাহলে পুরো সার্ভার অ্যাফেক্টেড হবে। এতে উক্ত সার্ভারে থাকা সকল ইউজার সাইট স্লো হওয়া থেকে শুরু করে অন্যান্য ইস্যুতে পরবে। এই সব সমস্যা দূর করার জন্য ডেডিকেটেড সার্ভারের কোন বিকল্প নেই। 

ডেডিকেটেড সার্ভারের সব থেকে বড় সুবিধা হচ্ছে এখানে আপনার ইউজারের আন্ডারে শুধু একটি সার্ভার থাকবে। অর্থাৎ আপনাকে একটি ডেডিকেটেড সার্ভার কম্পিউটার দেওয়া হবে। যেখানে আপনি আপনার ইচ্ছামতো অপারেটিং সিস্টেম ইন্সটল করতে পারবেন। র‍্যাম, সিপিইউ ইত্যাদি সহ অন্যান্য রিসোর্স প্রয়োজন মত কাস্টমাইজ করে নিতে পারবেন। 

এতে সুবিধা হচ্ছে কন্ট্রোল আপনার নিজের হাতে থাকবে। অন্যদিকে আপনি ছাড়া আপনার সার্ভার রিসোর্স কেউ ইউজ করতে পারবে না। আপনি যে সার্ভিস হোস্ট করবেন সেখানে অন্য কেউ অ্যাক্সেস করতে পারবে না। যেমন শেয়ার্ড হোস্টিং এ একই হার্ড ডিস্কে অন্যান্য ইউজারের সার্ভিস হোস্ট করা থাকে।  

ডেডিকেটেড সার্ভারের সুবিধা

ডেডিকেটেড সার্ভারের সুবিধা

নিচে ডেডিকেটেড সার্ভারের সুবিধা ও অসুবিধা বিস্তারিত আলোচনা করা হলো। 

রিসোর্সের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ

ডেডিকেটেড হোস্টিং এ সকল ধরনের রিসোর্স একজন ইউজারের জন্য সংরক্ষিত থাকে। অর্থাৎ আপনি সার্ভারের র‍্যাম, সিপিইউ পাওয়ার, স্টোরেজ, ব্যান্ডউইথ ইত্যাদি একাই ইউজ করতে পারবেন। ধরুন আপনি একটি ই-কমার্স ওয়েবসাইট তৈরি করবেন যার জন্য একটি ডেডিকেটেড সার্ভার নিয়েছেন। যেখানে সার্ভারে কোর সংখ্যা নিয়েছেন ২ টি এবং র‍্যাম – ৪ জিবি, স্টোরেজ- ৫০০ জিবি এবং ব্যান্ডউইথ নিয়েছে ১ টেরাবাইট। 

আপনি সিঙ্গেল ইউজার হওয়ার কারণে এই পুরো রিসোর্স আপনার ওয়েবসাইট একাই ইউজ করবে। এতে আপনার ওয়েবসাইট যে পরিমাণ ইউজার হ্যান্ডেল করতে পারবে সে পর্যন্ত আর সাইট স্লো হবে না। অন্যদিকে আপনি একই সার্ভারে প্রয়োজন অনুযায়ী আলাদা আলাদা করে ওয়েবসাইট হোস্ট করে নিজের মতো করে রিসোর্স বরাদ্দ করতে পারবেন। সর্বোপরি ডেডিকেটেড সার্ভারের সকল রিসোর্স আপনি নিজে হ্যান্ডেল করতে পারবেন। এতে শুধু আপনার সার্ভিস এই রিসোর্স ইউজ করবে অন্য কোন ইউজারের সাথে এই ডাটা ভাগ করে নিতে হবে না। 

বিশেষ সিকিউরিটি ব্যবস্থা

ওয়েবসাইট হোস্ট করার সময় আমাদের সিকিউরিটি নিয়ে আলাদা করে চিন্তা করতে হয়। কারণ অর্থ খরচ করে যখন একটি ওয়েবসাইট তৈরি করা হয় তার প্রধান উদ্দেশ্য থাকে তা থেকে রিটার্ন আনা। কিন্তু কোন কারণে যদি সিকিউরিটি কম্প্রোমাইজ হয় তাহলে যত্নে গড়া প্রোজেক্ট নিয়ে ঝামেলার শেষ থাকে না।

এই কারণে যে সকল ওয়েবসাইটে সিকিউরিটি সম্পর্কিত বিষয় থাকে যেমন, ই-কমার্স, ব্যাংকিং ও চিকিৎসা ইত্যাদিকে ডেডিকেটেড সার্ভারে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়। কারণ এই ধরনের সার্ভারে রিসোর্স অন্য কোন ইউজারের সাথে শেয়ার হয় না। পাশাপাশি হোস্টিং প্রতিষ্ঠানগুলো ডেডিকেটেড ইউজারদের জন্য সুবিধাজনক সিকিউরিটি টুল প্রোভাইড করা থাকে। 

তাছাড়া আপনি ডেডিকেটেড সার্ভারের সিকিউরিটি প্রয়োজন অনুযায়ী পরিবর্তন করতে পারবেন। যেমন স্ট্রং ফায়ারওয়াল, ডাটা এনক্রিপশন, ব্যাকআপ সিস্টেম সহ ম্যালওয়্যার প্রোটেকশন ইত্যাদি ইমপ্লিমেন্ট করতে পারবেন। 

অপারেটিং সিস্টেম

গতানুগতিক সার্ভারগুলোতে হোস্টিং কোম্পানিগুলো যে অপারেটিং সিস্টেম ইন্সটল করে দিবে আপনাকে সেটি ইউজ করতে হবে। এর বাইরে প্রয়োজন অথবা এক্সপেরিমেন্ট করার জন্য আপনি আলাদা কোন ওএস ইন্সটল দিতে পারবেন না। তবে ডেডিকেটেড সার্ভারে আপনি আপনার পছন্দমতো অপারেটিং সিস্টেম ইউজ করতে পারবেন। 

এটি তখনি কাজে দিবে যখন আপনার মাল্টিপল অ্যাপ্লিকেশন নিয়ে কাজ করতে হয়। ওএস লিমিটেশন থাকলে লিনাক্স ও উইন্ডোজ সার্ভারের মধ্যে কম্পেয়ার করে ইউজ করা যায় না। তবে ডেডিকেটেড সার্ভারে আপনি এই দুটোর মধ্যে কম্পেয়ার করে ইউজ করতে পারবেন। পাশাপাশি ভার্চুয়ালাইজেশন সিস্টেম, যেমন VMware, Hyper-V ইত্যাদি ব্যবহার একই সার্ভার আলাদা আলাদা ভার্চুয়াল মেশিন চালাতে পারবেন। 

সফটওয়্যার কনফিগারেশন

ডেডিকেটেড সার্ভারে সফটওয়্যার কনফিগারেশনে ফ্রিডম থাকে। যেমন আপনি ওয়েব সার্ভার হিসেবে Apache HTTP Server, Nginx ও IIS (Internet Information Services) এগুলোর মধ্যে আপনার পছন্দ মতো যে কোন একটা ইউজ করে পারবেন। ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট করতে MySQL/MariaDB, PostgreSQL ও Microsoft SQL Server ইউজ করতে পারবেন। 

কন্ট্রোল প্যানেল হিসেবে cPanel/WHM, Plesk বা DirectAdmin ইউজ করে আপনার সার্ভারের কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবেন। গতানুগতিক সার্ভারে এই সকল সফটওয়্যার সম্পর্কিত বিষয় সার্ভার অ্যাডমিন ম্যানেজ করে দেয়। আপনি চাইলেও এগুলো পরিবর্তন করতে পারবেন না। যেমন আপনি যদি উইন্ডোজ সার্ভার ইউজ করতে চান তাহলে সেপারেট ভাবে শুধু উইন্ডোজ সার্ভার ইন্সটল করা আছে এরকম হোস্টিং ইউজ করতে হবে। 

সেখানে আপনি চাইলেই আবার লিনাক্স ইউজ করতে পারবেন না। এই কারণে ডেভেলপমেন্ট প্রোজেক্ট পরিচালনা করার জন্য গতানুগতিক সার্ভার না নিয়ে যেখানে ফ্লেক্সিবিলিটি রয়েছে যেমন ডেডিকেটেড সার্ভার নেওয়া জরুরি। 

ব্যান্ডউইথ ও নেটওয়ার্ক

ব্যান্ডউইথ হচ্ছে একটি ভিজিটর আপনার ওয়েবসাইট ভিজিট করার সময় তার সিস্টেমে যে পরিমাণ ডাটা ডাউনলোড হয় তার পরিমাণ। অর্থাৎ ওয়েবসাইট যত বেশি ভিজিট হবে তার ব্যান্ডউইথ তত বেশি খরচ হতে থাকবে। হোস্টিং নেওয়ার সময় খেয়াল করে দেখবেন কোম্পানিগুলো আপনাকে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ ব্যান্ডউইথ দিয়ে থাকে। এই লিমিট শেষ হয়ে গেলে আপনার ওয়েবসাইট আর ভিজিট করা যাবে না। 

শেয়ার্ড বা ভিপিএস সার্ভারে অনেক সময় ব্যান্ডউইথ লিমিট করে দেওয়া থাকে। কিন্তু ওয়েবসাইট যদি অনেক বেশি ভিজিটর পাওয়া শুরু করে তখন ব্যান্ডউইথ নিয়ে সমস্যায় পড়তে হয়। কিন্তু ডেডিকেটেড সার্ভারে আপনি আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যান্ডউইথ সেটাপ করে নিতে পারবেন। 

রক্ষণাবেক্ষণ ও ম্যানেজমেন্ট

সাধারণত ডেডিকেটেড সার্ভার ম্যানেজড বা আন-ম্যানেজড হিসেবে পাওয়া যায়। এখানে ম্যানেজড সার্ভার সেটাপ থেকে শুরু করে সফটওয়্যার কনফিগারেশন সকল কাজ হোস্টিং প্রোভাইডার করে থাকে। এই ধরনের প্যাকেজ যারা টেকনিক্যাল ঝামেলায় না জড়িয়ে ওয়েবসাইট ম্যানেজ করতে চায় তাদের জন্য বেস্ট। 

অন্যদিকে যাদের সার্ভার টেকনোলজি নিয়ে জ্ঞান আছে এবং এর রিস্ক সম্পর্কে জানে তাদের জন্য আন-ম্যানেজড ডেডিকেটেড সার্ভার বেস্ট। এখানে ম্যানেজড সার্ভারে ইউজারকে তেমন কোনো মেইনটেনেন্স করতে হয় না। অন্যদিকে আন-ম্যানেজড ডেডিকেটেড সার্ভারে সফটওয়্যার আপডেট, সিকিউরিটি প্যাঁচ সহ সকল রক্ষণাবেক্ষণ আপনার নিজের করতে হবে। 

কোন সেক্টরে ডেডিকেটেড সার্ভার ইউজ করা হয়

কোন কোন সেক্টরে ডেডিকেটেড সার্ভার ইউজ করা হয় 

নিচে ডেডিকেটেড সার্ভার কোন কোন সেক্টরে সব থেকে বেশি ইউজ করা হয় সে সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো। 

নিরাপত্তা প্রয়োজন এমন সেক্টর

সাধারণত ডেডিকেটেড সার্ভারগুলো আইসোলেটেড হয়ে থাকে। অর্থাৎ গতানুগতিক হোস্টিং এ একটি সার্ভারে অনেক গুলো ইউজার থাকে কিন্তু ডেডিকেটেড সার্ভারে শুধু একটি ইউজার থাকে। যে কারণে অন্য কোন ইউজারের সার্ভার রিসোর্স মিসইউজ করার কোনো সুযোগ থাকে না। এই কারণে এই ধরনের সার্ভারের সিকিউরিটি অন্যান্য সার্ভার থেকে অনেক বেশি হয়ে থাকে। 

যে কারণে যে সকল সেক্টরে ইউজারের ডাটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ এবং আর্থিক বিষয় থাকে সে সকল সেক্টরে এই ধরনের সার্ভার সব থেকে বেশি ইউজ করা হয়। যেমন ব্যাংকিং সেবা সরবরাহ করার জন্য তাদের যে অনলাইন সিস্টেম তা সম্পূর্ণটাই পরিচালিত হয়ে থাকে ডেডিকেটেড সার্ভার দ্বারা। অন্যদিকে স্বাস্থ্যখাতে রোগীর তথ্য গোপন রাখার জন্য সর্বোচ্চ সিকিউরিটি সম্পন্ন ডেডিকেটেড সার্ভার ইউজ করা হয়। বর্তমান সময়ে বড় বড় ই-কমার্স ওয়েবসাইট গুলো তাদের সার্ভিস সচল রাখার পাশাপাশি কাস্টমার প্রাইভেসি রক্ষা করার জন্য ডেডিকেটেড সার্ভার ইউজ করে থাকে। 

হাই-পারফর্মেন্স কম্পিউটিং

বিগ ডাটা অ্যানালাইসিস সহ সায়েন্টিফিক সিমুলেশন ও মেশিন লার্নিং বিষয়ের মতো জটিল কাজ করার জন্য ডেডিকেটেড সার্ভার ইউজ করা হয়। কারণ এই ধরনের কাজে যেমন প্রোসেসিং পাওয়ার অনেক বেশি প্রয়োজন তেমনি আইসোলেটেড রিসোর্স দরকার পরে থাকে। এই কারণে হাই-পারফর্মেন্স কম্পিউটিং বা (HPC) কাজের জন্য ডেডিকেটেড সার্ভার ইউজ করা হয়ে থাকে।

গেমিং সার্ভার

গেমিং করার জন্য অনেক হাই পারফর্মেন্স সার্ভার প্রয়োজন পরে। বিশেষ করে মাল্টি-প্লেয়ার গেম খেলার জন্য হাই কনফিগারেশনের গেমিং সার্ভার প্রয়োজন পরে থাকে। স্মুথভাবে গেমিং সার্ভার পরিচালনা করার জন্য ডেডিকেটেড রিসোর্স এর প্রয়োজন পরে। আর ডেডিকেটেড রিসোর্স পাওয়ার জন্য ডেডিকেটেড সার্ভার সব থেকে বেশি উপযুক্ত। 

ব্যাকআপ স্টোরেজ

ব্যাকআপ স্টোরেজ সার্ভারগুলোর প্রধান কাজ হচ্ছে নিরাপদে ডাটা সংরক্ষণ করে রাখা। এই কাজ করার জন্য প্রয়োজন পরে উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন সার্ভার সিস্টেমের। যে কারণে সকল ধরনের ব্যাকআপ স্টোরেজ সার্ভিস প্রদান করার জন্য ডেডিকেটেড সার্ভার সব থেকে বেস্ট। এবং এই ধরনের সার্ভিসের জন্য সচরাচর ডেডিকেটেড সার্ভার ইউজ করা হয়ে থাকে। 

শেষকথা

ডেডিকেটেড সার্ভার হচ্ছে একটি বিপদের বন্ধু নির্ভরযোগ্য হোস্টিং সলিউশন। কারণ এখানে সার্ভার রিসোর্স পরিবর্তন করা যায়। নিজের ইচ্ছা মতো সিকিউরিটি এনশিওর করা যায়। পাশাপাশি নিজস্ব পার্সোনালাইজেশন থাকার কারণে হাই-পারফর্মেন্স কম্পিউটিং থেকে গেমিং সার্ভার এবং ই-কমার্স বিজনেস ঝামেলা ছাড়া পরিচালনা করা যায়। 

Leave a Reply